মাসুদা ভাট্টি: নামে মুসলিম আসলে হিন্দু, পুরুষ থেকে রূপান্তরিত এক বিকৃত রুচির নারী!!

আহমেদ সাইমুম
হালের গোয়েবলস সাংবাদিক(!!) মাসুদা ভাট্টির যাপিত জীবন ও তার কর্মাচার নিয়ে কথা বলা বা আলোচনা সমালোচনা করার মত নূন্যতম ইচ্ছে আর রুচিবোধ কোনটাই নেই আমার। এসবে আমার খুবই ঘেন্না লাগে। এটা আমার জন্যে ভীষণ রকম বেমানানও বটে। আর এ শ্রেণীভূক্ত কারো জীবনাচার নিয়ে কথা বলাটাতো সাংঘাতিক রকম অপছন্দ আমার। তবে উনি যখন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার হরণকারী দু:শাসনের দস্যু দানবদের পক্ষে দীর্ঘকাল ধরেই ওনার মেধা মনন শ্রম ঘাম ঝরিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বাধিকারকে দু’পায়ে মাড়িয়ে তাড়িয়ে একপেশে গোয়েলবসীয় গোয়ার্তুমি চালিয়েই যাচ্ছেন ঠিক এমনি এক সময়ে ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে অযাচিত প্রশ্নে বিব্রত করে দেশজুড়ে হৈচৈ ফেলে দিয়ে বিরাটাকৃতির সেলিব্রেটি হয়ে ওঠেছেন ঠিক তখনই নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর জ্ঞাতার্থে যৎ সামান্য তথ্যাদি উপস্থাপন নাদান নাগরিকের জন্য কর্তব্য হয়ে পড়েছে।
#ভাট্টি সম্পর্কে সাধারণের যেটুকু জানাশোনা আছে তার কয়েক রত্তি সত্য হলো:
#ভাট্টি নানা স্থানে ঘুরা ফেরা করেছে। পাকিস্তানেও ছিলো। নিজের শারীরিক ও মানসিক চরিত্র নানা সময়ে পরিবর্তন করেছে। শারীরিক চরিত্র বলতে সে তার লিংগ পরিবর্তন করেছে। (বায়োলজিক্যালি) লিঙ্গান্তরের মাধ্যমে পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তর হওয়া সম্প্রদায়ের একজন!
#ভাট্টি সিঁথিতে সিঁদুর আর কপালে বিশেষ সম্প্রদায়ের চিহ্ন টিপ পরেন!
#ভাট্টি বৈবাহিক সূত্রে পাকিস্তানের নাগরিক!
#ভাট্টি লন্ডনে গিয়ে এক পাকিস্তানিকে বিয়ে করে তার সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়ে ডিভোর্স দিয়ে দেয়!
#ভাট্টি লন্ডনে থাকাকালে পূর্বের স্বামীকে ত্যাগ করে বহুগামীতায় মেতে ওঠেন! সে পলিগ্যামিষ্ট ও হেট্রো সেক্সুয়াল। সে নারী ও পুরুষ উভয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে পছন্দ করে। তবে এগুলো তার ব্যক্তিগত বিষয়।
#ভাট্টির নামটিও মেইড বাই পাকিস্তান!
#ভাট্টি বাংলাদেশ বিরোধী জঘন্য মিডিয়ার লেখক!
#ভাট্টি ভারত ও ইসরাইলের পেইড এজেন্ট সাংবাদিক সম্প্রদায়ের অন্যতম একজন!
#ভাট্টি যখন সাম্প্রদায়িক আওয়ামী রাজনীতিরর জংগী কর্মী হিসাবে একের পর এক বুদ্ধিবৃত্তিক কু প্রবণতা তৈরি করে বাংলাদেশকে রক্তের হলি খেলার দিকে নিয়ে যায় তখন অবশ্যই সবাইকে ভাবতে হবে। সে রাশিয়ান ব্লকের ছেলে এবং আওয়ামীলীগ এর প্রোপাগান্ডা টিমের সদস্য। রাশিয়ায় কমিউনিজম এর পতনের সময় ভাট্টি ইয়লতসিনের পক্ষে কথা বার্তা বলতো। আওয়ামীলীগ, রাশিয়া ও ভারতের প্রডাক্ট এমন একজন মহান ব্যক্তিকে কিভাবে চরিত্রহীন বলে। এই ভাট্টিরা গনতন্ত্র এর বিপক্ষে সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা বাহিনী স্বাধীনতার মূল চেতনাকে ধ্বংস করতে চায়। এদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ প্রয়োজন।
#ভাট্টি বেশ দিন লন্ডনে বসে শোষক প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের হয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকার ও শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটানো কুশীলবদের অন্যতম বাইজী!
#ভাট্টি “লন্ডনে থাকা অবস্থায় দেশ বিরোধী কথিত বুদ্ধিজীবী আগাচৌ’র রাখায়েল ছিলেন!
যার কারনে আগাচৌ’র পরিবারে যথেষ্ট অশান্তিও নেমে এসেছিল!’
#তসলিমা নাসরিন ভাট্টি চরিত্রগত দিক নিয়ে তার এক বইয়ে আলোচনা করেছেন বিস্তারিত।#ব্যারিস্টার মঈনুল ভাট্টিকে ভদ্র ভাষায় চরিত্রহীন বলেছেন টিভি টকশো’তে আর তসলিমা নাসরিন ভাট্টির অসতী চরিত্রের পোস্টমর্টেম তুলে ধরেছেন- প্রমাণ দিয়েছেন তার লেখা বইয়ে।
#বুড়ো শালিক আগাচৌ ভাট্টির ফুলেল চরিত্র নিয়ে কথা নাবলে থুতনী ডুবিয়ে মধু নিয়েছেন!
সর্বোপরি ম ভাট্টি গং ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনকে তিরষ্কার নাকরে ধন্যবাদ দিতে পারেন বা দেয়া উচিৎ এজন্যে যে,তিনি তার নিজের ব্যক্তিত্ব ও রুচিবোধের কারণে ভাট্টির নগ্ন রূপের মুখোশ জাতির সামনে উম্মোচন করে দেননি!!
#একটা মানুষ পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত হয় কি পরিমাণ বিকারগ্রস্ত হলে তা ভাবতেই যে কারো আসবে বমি-আর ঘৃণায় অরুচিতে বিকল হয়ে যাবে মগজ!!

/ফেসবুক থেকে

৫ সম্পাদককে আওয়ামীলীগের ১৫০ কোটি টাকা অনুদান

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক :

যেকোন মূল্যে নিজেদের প্রভাবকে স্থায়ী করতে বর্তমান সরকারের বিকল্প নেই উল্লেখ করে মিডিয়ায় আওয়ামীলীগ সরকারের গুণকীর্তন করতে সংশ্লিষ্ট সম্পাদক, বার্তা সম্পাদকদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, ডেইলি স্টার, সমকাল কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে মিডিয়া হাউসে রীতিমতো আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। আর এদিকে গত বৃহস্পতিবার আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে ১৫০ কোটি টাকা পাওয়ার পর গত শুক্রবার এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় ওইসব পত্রিকার সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকরা।

জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগ সরকারকে যেকোন মূল্যে সরকারে রাখতে ইতোমধ্যে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে ১০ কোটি টাকা করে সম্মানী পেয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, ডেইলি স্টার, সমকাল সম্পাদকরা। এসব দৈনিকের বার্তা সম্পাদকরা পেয়েছেন ৫ কোটি করে। গত বৃহস্পতিবার একশত পঞ্চাশ কোটি টাকা বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, ডেইলি স্টার, সমকাল সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকদের স্ত্রী, সন্তানদের ব্যাংক একাউন্টে যোগ হয়েছে বলে আওয়ামীলীগের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান।

মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, সোনালী ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক এর মোট ২৫ টি একাউন্টে ১৫০ কোটি টাকা যোগ হয়েছে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করেছে। ব্যাংকিং লেনদেনের তথ্য অনুসারে কিছু কিছু একাউন্টে এসব টাকা জমা দেয়ার ক্ষেত্রে রেস্ট্রিকটেড করা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ একজন ডাইরেক্টরের নির্দেশে টাকাগুলো জমা নেয়া হয়। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক এর এক শাখার সংশ্লিষ্ট ম্যানেজার লেনদেনে অসামঞ্জস্যতা লক্ষ করে টাকা জমা না নিতে সংশ্লিস্ট অফিসারকে নির্দেশ দিলে উত্তেজনা হয়ে টাকা জমাকারী একজন ব্যাক্তি কোথাও ফোন দেন। ফোন দেয়ার ১০ মিনিট পরেই ওই শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি ফোন আসে। আর তিনিও টাকা জমা নিতে বাধ্য হন।

সূত্রের দাবি, সরকারের পক্ষে অনেক আগে থেকেই কাজ করে আসছে বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, ডেইলি স্টার, সমকাল মিডিয়া হাউসের সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকরা। অঘোষিত এক চুক্তির মাধ্যমে তারা আওয়ামীলীগ সরকারের গুন কীর্তণ এতদিন পর্দার আড়ালে করে আসলেও নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমানে চালাচ্ছে প্রকাশ্যে। আর তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিতেই আওয়ামীলীগ সরকার তাদের শেষ সময়ে সম্পাদকদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেন।

/বিডি ফ্যাক্টস চেক