ডিজি ডিজিএফআই আবেদীন কি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন খুঁজছেন?

বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, যা ডিজিএফআই হিসাবে পরিচিতি, এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাইফুল  আবেদীন গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ব্যক্তিগত সফরে আছেন। দেশে যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকে, তখন এই সংস্থাটি বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। যেকোনো বিচারে, এখন সরকারের শেষ সময়ে খুব খারাপ অবস্থা যাচ্ছে, এমন সময়ে ডিজিএফআইয়ের ডিজির অনির্দিষ্টকাল বিদেশে পড়ে থাকা নিয়ে নানান রকম কথা উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে। জেনারেল আবেদীন কি কোনো বিশেষ এসাইনমেন্ট নিয়ে আমেরিকাতে অবস্থান করছেন, নাকি পরিবার সমেত যুক্তরাষ্ট্রে রেসিডেন্সি খুঁজছেন? কেননা মাত্র ক’দিন আগেই খোদ র‌্যাবের ডিজি বেনজির আহমেদ এবং অনেক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তারা অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রে সহায় সম্পদ সরানো এবং ইমিগ্রান্ট হওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে খবরে প্রকাশ!

মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, যিনি আবেদীন হিসাবে পরিচিত, সেনাবাহিনীতে ১৫তম বিএমএ লংকোর্সে কমিশন পান ১৯৮৬ সালে। এর আগেও তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহা-পরিদপ্তরে কাজ করেছেন। ১/১১ পিরিয়ডে এই সাইফুল আবেদীন লেফটেনেন্ট কর্নেল হিসাবে গুরুতর অপরাধ দমন কমিটির প্রধান লে. জেনারেল মাসুদের অধীনে কাজ করে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের ধরপাকড়ে কাজও করেছেন। এক সময় বাংলাদেশ ইনফ‌্যানন্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের কমান্ড‌্যান্টের দায়িত্ব পালন করা এই সেনা কর্মকর্তা আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তি মিশনেও কাজ করেছেন।

ভীতু ও আত্মকেন্দ্রিক টাইপের মানুষ হয়েও সাইফুলের খুব নারীপ্রীতির কথা সেনাবাহিনীতে চাউর হয়ে আছে। ঘরে সুন্দরী স্ত্রী রেখে রাতভর সস্তা মেয়ে মানুষের পিছনে সময় কাটানোর জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। রাতভর, ফোন আলাপ, অ্যাডাল্ট চ্যাট, ন্যুড ছবি বিনিময়, এমনকি ফোনসেক্স, শেষে তার বিশেষ বাড়িতে শয্যাসঙ্গী করা তার নিয়মিত বিষয়। তার বান্ধবী তালিকায় হাইব্রিড রাজনীতিক শাহেদা ওবায়েদ থেকে শুরু করে মিলিটারীর জুনিয়ার মহিলা কর্মকর্তা, বিমানের ট্রেইনি পাইলট নানজীবা খান, গৃহবধু, গার্মেন্ট কর্মীরা, এমনকি অপ্রাপ্ত বয়স্করাও আছেন (অনেকে তার মেয়ের চেয়েও কম বয়সী)! তার মেয়ে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পড়াশুনা করে। কোনো সরকারী কাজ নিয়ে তার কাছে যাওয়া নারী সুন্দরী হলে আর কথা নাই, ছলে বলে কলে কৌশলে তাকে ভোগ করবেই।

জেনারেল সাইফুল আবেদীন দেশে ভিতরে বিএনপিকে সাইজ করার দায়িত্ব পালন করলেও বিদেশে গেলে তিনি ভিন্ন মানুষ হয়ে যান। তার শ্বাশুড়ি আ’লীগ এমপি হওয়ার সুবাদে যদিও তার এই গুরুত্বপূর্ন পদ প্রাপ্তি, তবুও তার পুরো সার্কেল ঘিরে আছে বিএনপির লোকজন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে জেনারেল সাইফুল ওঠেন ওয়াশিংটন বিএনপির সভাপতি ফারুকের ব্যবস্খায় হোটেল, থাকা খাওয়া, বেড়ানো, কাসিনো, নাইট ক্লাব, নারী সঙ্গ সব কিছুই লাভ করেন। সেখান থেকে তিনি কানাডার বিএনপি সভাপতির আয়োজনে টরেন্টো সফর করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত এসে আটলান্টা বিএনপি সভাপতির আতিথেয়তা গ্রহণ করেন। শেখ হাসিনার সরকার অবশ্য এসব বিষয়ে বেশ উদাসীন!                                                                                       (আগামী কাল ২য় কিস্তি……)

This is an investigating report based on sources information. The authority reserved all sources and records.
Photo source: Facebook

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.