বিনা ভোটে নির্বাচনের সর্বশেষ তরিকা: ইভিএমের পরে মোবাইলে থেকে ভোট: কারও আসতে হবে না কেন্দ্রে. কিন্তু ভোট পেয়ে গেছে!
অবশেষে ঘরে বসে মোবাইলে ভোট দিতে পারবে এমন ঘোষণা দিলেন বর্তমান মহাপরাক্রমশালী বিনা ভোটের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা মিয়া! উল্লেখ্য গতকালই তিনি স্বামী ওয়াজেদ মিয়া বাসা থেকে ‘মিয়া’ হয়ে এসেছেন। তারমানে দাড়াচ্ছে, ইভিএমের পরে মোবাইল থেকে ভোট দেয়ার কথা বলছে, এতে কাউকে ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে না। বরং কেন্দ্র ফাঁকা থাকলেও শতভাগ ভোট কাস্ট হয়েছে বলে দেয়া সম্ভব!! অথচ এটি পৃথিবীর কোথাও নেই।
উল্লেখ্য, মোবাইল ফোন রেজিষ্ট্রেশন ডাটা ব্যবহার করে ভোট জালিয়তি করা হবে, এমন একটি গুরুত্বপূর্ন খবর বছর দুয়েক আগে ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক মাধ্যমে।
৩০ জুন ২০১৬ ফেসবুকের পোস্টে লেখা হয়েছিল, মোবাইল সিম রেজিষ্ট্রেশন করতে সরকার যেভাবে নাগরিকদের হাতের ছাপ নেয়া হচ্ছে. আগামী নির্বাচনে তা অপব্যবহার করে নেীকাকে জেতানো হবে!
৪ এপ্রিল ২০১৬ লেখা হয়, “তবে কি নির্বাচনী বৈতরণী পার হতেই হাতের ছাপ নিচ্ছে হাসিনা?”
২৫ জুলাই লেখা হয়- “আগামী নির্বাচন নিয়ে হাসিনার ইলেকশন কমিশন আস্তে আস্তে প্রস্তুতি নিচ্ছে। হাসিনাকে সহজে জিতিয়ে আনার জন্য আবার নিয়ে আসছে বাতিল হওয়া- ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। এরা চাইছে এর সাথে ফিঙ্গারপ্রিন্টকে যুক্ত করতে। আইসিটি মন্ত্রনালেয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, মোবাইল রিভেরিফিকেশনে প্রাপ্ত বায়োমেট্রিক ব্যবহার করে ফলাফল নিজ দখলে নেয়ার একটি ফন্দি নিয়ে আগাচ্ছে আওয়ামীলীগ সরকার ও তাদের আস্থাভাজন নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে তাদের টার্গেট ৬০ ভাগ বায়োমেট্রিক ব্যবহার করা। লোকজন ভোটকেন্দ্রে যাবে, ভোটও দিবে। কিন্তু ফলাফলের সময় তা কোনো কাজে আসবে না, বরং সিস্টেমের কারুকাজ করা ফলাফল কি করে নৌকার পক্ষে প্রকাশ করা যায়, তেমন একটি ফরমুলা বের করার চেষ্টা চলছে।
অবশেষে ২ বছর পরে শেখ হাসিনা ঘোষণা করলেন- ‘আপনাদের ভোট কেন্দ্রে আসতে হবে না। বাসা থেকে মোবাইল টিপবেন। আর আসি ভোট বুঝে নিব!’ বাংলাদেশের ভোট স্বপ্নের চির শান্তি!
