মানবাধিকারের সুরক্ষা ও গুণগত মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য পদের ‘অযোগ্য’ ঘোষিত বাংলাদেশ!

১২ অক্টোবর শুক্রবার জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জেনেভা ভিত্তিক এই সংস্থার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সদস্য হওয়ার জন্য নির্বাচন করছে বাংলাদেশ, বাহরাইন, ফিজি, ভারত ও ফিলিপাইন।

এদিকে মঙ্গলবার ইউএন ওয়াচ, হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ও র‌্যাওয়েল ওয়ালেনবার্গ সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটসের প্রকাশিত যৌথ প্রতিবেদনে সদস্যপ্রার্থী দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশ, বাহরাইন, ফিলিপাইন, ক্যামেরুন, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে ‘অযোগ্য’ বলে মন্তব্য করা হয়।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬০/২৫১নং রেজ্যুলেশন অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর মানবাধিকারের সুরক্ষা ও গুণগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। এই প্রতিবেদনে ভারত, টোগো, ফিজি ও বুরকিনা ফাসোর মানবাধিকার পরিস্থিতিকে ‘সমস্যাগ্রস্ত’ বলে উল্লেখ করে এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। শুধুমাত্র ৮টি দেশ ‘আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, বাহামা, বুলগেরিয়া, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, ইতালি ও উরুগুয়েকে মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপ্রার্থীতার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।

১২ অক্টোবরের সদস্যপ্রার্থীতায় এশিয়ান গ্রুপে কাজাকস্তান, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানে লড়বে বাহরাইন, বাংলাদেশ, ফিজি, ভারত ও ফিলিপাইন। এর মধ্যে যৌথ সংস্থার প্রতিবেদন বাহরাইন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনকে ইউএনএইচআরসি এর সদস্যপদের অযোগ্য বলে মন্তব্য করা হয় ও ফিজি ও ভারতের সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

প্রসঙ্গত, ইউএনএইচআরসি এর ২০১৯-২১ সালের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হতে জাতিসংঘের সদস্যভূক্ত ১৯৩টি দেশের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন হবে বাংলাদেশের। এর আগে বাংলাদেশ ২০০৭-০৯, ২০১০-১২ এবং ২০১৫-১৭ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছিল।
/আমাদের  সময়

Facebook Comments