বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও সতর্ক নজর রাখছে হাসিনা সরকার এবং আওয়ামি লিগ। সূত্রের মতে, এখনই বিএনপি-কে যে কোনও প্রকারে তখতে বসানোটা চিনের লক্ষ্য নয়। বরং আওয়ামি লিগের উপর চাপ তৈরি করতেই তারা বিএনপি-কে ব্যবহার করছে। পাশাপাশি ভারতকে চাপে রাখাটাও পরোক্ষ উদ্দেশ্য বেজিংয়ের।
সম্প্রতি বেজিং এবং ঢাকার সম্পর্কে বেশ কিছু মতান্তর তৈরি হয়েছে। চিনের ঋণের ফাঁদ এড়াতে পদ্মা সেতুর কাজে তাদের বিনিয়োগের প্রস্তাব ফিরিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার। পাশাপাশি বেশ কিছু ঘরোয়া প্রকল্পেও চিনকে দূরে রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা বিমানবন্দরের নতুন তৃতীয় টার্মিনাল তৈরির প্রকল্পটি রূপায়ণে চিন মরিয়া ছিল। বাংলাদেশের এক কর্তার কথায়, ‘‘এ ব্যাপারে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের কথা অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার পরেও চিন প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল প্রকল্পটি পেতে। তার জন্য সব রকম আর্থিক মূল্য তারা দিতে রাজি ছিল। কিন্তু বিশ্বস্ত সহযোগী দেশ জাপানের সঙ্গে চুক্তিভঙ্গ করার প্রশ্ন ওঠে না বলে চিনকে খালি হাতে ফেরাতে হয়েছে।’’
কূটনৈতিক শিবিরের মতে, চিন যে সাহায্য বিএনপি-কে করেছে তাতে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র হাত রয়েছে। আওয়ামি লিগের পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হয়েছে— খালেদা জিয়ার পুত্র তারেকের সঙ্গে আইএসআই-এর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

