র্যাবের ডিজি বেনজিরের যুক্তরাষ্ট্রে অঢেল সম্পত্তি, মাতলামি, যৌন কেলেঙ্কারির খতিয়ান-১
বাংলাদেশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমদের যুক্তরাষ্ট্রে মহা কেলেঙ্কারী উদঘাটন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের শিমুল নামে এক ব্যক্তি হলেন বেনজীরের বন্ধু। এই শিমুল হলো ময়মনসিংহের ব্যারিস্টার দেলোয়ার হোসেনের পুত্র। অবশ্য শিমুল অন্যদিক দিয়ে শেখ হাসিনারও ঘনিষ্ট। শিমুলের সঙ্গে বেনজীরের এতই গভীর সখ্যতা যে, নিউ ইয়র্কে এলে তারা দু’জনে একসঙ্গে মৌজ মাস্তি, মাতলামি, জুয়া, আন্ডারওয়ার্ল্ড, স্ট্রীপারদের সঙ্গে সেক্স- নানাভাবে জীবনকে ভোগ করায় ব্যস্ত থাকেন। এরকম অনেকগুলো ঘটনায় ভিডিও কয়েকটি রেকর্ডও রয়েছে যেখানে বেনজিরকে দেখা যাচ্ছে মাতাল অবস্থায় পতিতাদের সঙ্গে টানাটানি বা যৌণতায় ব্যস্ত ছিল। শিমুল জানান, বেনজির মদ এবং মাতলামি, সেক্স, নাইট ক্লাব, জুয়া, এবং নিষিদ্ধ সব কারবারে বেশ পটু।
শিমুলের মাধ্যমে বেনজীর নিউইয়র্কে ১৪টি ইয়োলো ট্যাক্সির মেডেলিয়নের মালিকানা কিনে নেন, যখন প্রতিটার দাম ছিল ১ মিলিয়ন ডলারেরও অধিক। এছাড়া একাধিক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বেনজীর মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার লগ্নি করেছে। বেনজির বড় মেয়ে রিশতাকে পাড়াচ্ছেন নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সটিতে। নিউ ইয়র্ক শহরের লং আইল্যান্ড সিটিতে ৬ মিলিয়ন ডলারে বাড়ি কিনে মেয়েকে রেখেছেন। হাই-ফাই ফেরারি গাড়ি চালিয়ে উদ্যাম জীবন যাপন করে রিশতা। এছাড়াও নিজ মেয়ের নামে এস্টেরিয়া, এলমহার্স্ট, ম্যানহাটন, এবং লংআইল্যান্ডে বেশ কয়েকটি বা এবং এপার্টমেন্ট কিনে ভাড়া দিয়েছেন বেনজীর।
নিউইয়র্কের শিমুলের নাম শুনলেই বেনজীরের আত্মারাম খাঁচা হয়ে যায়, কারন তার অপকর্মের অনেকগুলি ভিডিও আছে শিমুলের কাছে। এজন্য বেশ কয়েকবার শিমুলকে হত্যার চেষ্টাও করেছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের হাজার হাজার গুম খুন, রাজনৈতিক হত্যা, ও বিচারবহির্ভুত হত্যাকান্ড, সাজানো জঙ্গি অপারেশনে ওস্তাদ, দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত বেনজির আহমেদ নারী কেলেঙ্কারীতে সবার শীর্ষে অবস্থান করছেন। দেশেও বেশ ক`জন রক্ষিতা আছে তার। এ তালিকায় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা, ছোট পর্দা ও বড় পর্দার নায়িকা, র্যা ম্প মডেল, জুনিয়র সুন্দরী পুলিশ অফিসার, এমনকি সুন্দরী ভাবীরাও রয়েছে।
