ভোট ডাকাতি করতে গিয়ে সারাদেশে গণ প্রতিরোধের শিকার আ’লীগ: গণপিটুনিতে নিহত কমপক্ষে ১১, গ্রেফতার ৫০০ : গণঅভ্যুত্থানের আশংকা

নির্বাচনের আগের রাতে প্রশাসনের সহযোগিতায় সারা দেশে কেন্দ্র দখল করে ৩০-৪০ ভাগ ব্যালট পেপারে নৌকার সিল পিটিয়েছে অসংখ্য কেন্দ্রে। এর জন্য মুলত আওয়ামী অধ্যুসিত এলাকা বেছে নেয়া হয়েছে। তারপরেও বহু এলাকায় জনতার প্রতিরোধ হয়েছে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, সুনামগঞ্জে ব্যাপক গোলোযোগের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

জনতার প্রতিরোধে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১১ ভোট ডাকাত নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ১জন ও কুমিল্লায় ২ জন, লক্ষীপুর, চট্টগ্রাম সহ ৫ জন ভোট ডাকাত নিহত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম তাদের ১১ কর্মী নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার মধ্যরাতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার দত্তপাড়া ইউনিয়নের বড়ালিয়া গ্রামের বড়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট ডাকাতির খবর পেয়ে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে চিৎকার হৈচৈ শুরু করে। জনতার ঘেরাওয়ে পড়ে হুড়োহুড়ি করে পালাতে চেষ্টা করে। এরি মাঝে কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে নিহত এক ছাত্রলীগের এক কর্মীর লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রাকিব হোসেন ও জহির নামের স্থানীয় দুই ছাত্রলীগ নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। তাদেরকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা জেলা বরুড়া থানার নবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যালট পেপারে সিল মারার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে যাওয়ার পর ছাত্রলীগের ১৮ নেতাকর্মীকে মসজিদের মাইক দিয়ে ঘোষণা করে গণধোলাই দেয় এলাকাবাসী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিন ছাত্রলীগ কর্মীকে বরুড়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের পটিয়া থানার গুরনখাইন এলাকায় রাত ১০টার দিকে ব্যালট পোরে সিল দেয়ার কালে জনতার ধাওয়ায় যুবলীগকর্মী দ্বীন মোহাম্মদ নিহত হয়।

অনলাইনে ভোট ডাকাতি ও প্রতিরোধের খবর ছড়িয়ে গণবিপ্লবের আশংকায় সরকার প্রথমে মোবাইল ইন্টারনেট সার্ভিস ডাউন করে, পরে পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.