মাসব্যাপী ইউরোপ সফরে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা!
বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩১ অক্টোবর লন্ডন যাচ্ছেন। যদিও কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে ২৬তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে যাবেন, এবং সেখানে বক্তব্য রাখবেন, কিন্তু বাস্তবে তিনি প্রায় মাসখানেক দেশের বাইরে থাকবেন।
কিন্তু এত লম্বা সময়ের জন্য বিদেশে কেনো থাকবেন? তবে কি দেশে এমন কোনো অঘটন বা বিপদাপদ আছে, যার জন্য তিনি দেশে থাকতে চান না এসময়? স্কটল্যান্ড ছাড়াও তার ঘোরাঘুরির তালিকায় রয়েছে যু্ক্তরাজ্য, ফ্রান্স, এবং ফিনল্যান্ড। অবশ্য শোনা যাচ্ছে, গত মাসে আমেরিকায় ব্যর্থ মিশন শেষে দেশে ফিরে ঘাবড়ে গেছেন অবৈধ এ প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বা দেশটির কোনো মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ পাননি। যদিও আগে থেকেই বলা হচ্ছিল ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হারিসের সঙ্গে নিশ্চিত বৈঠক, কিন্তু সে চেষ্টাও সফল হয়নি। এমনকি তার ক্ষমতার মূল শক্তি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাকে সাক্ষাৎ দেননি, যদিও তিনি ঐ সময়ে নিউ ইয়র্কেই অবস্থান ছিলেন। তাছাড়া ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাসমুহের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের ফলাফলও তার জন্য আশাপ্রদ নয়। সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফরটি তার জন্য খুবই হতাশাব্যঞ্জক ও বিব্রতকর অবস্থা ছিল।
কারো কারো মতে, যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে তিনি যে ধারণা নিয়ে দেশে ফিরেছেন তাতে তার রাজত্বের সমাপণী বার্তা রয়েছে, আর এতে প্রতিবেশি দেশের সায় রয়েছে। মূলত ভারত ছেড়ে চীনের বলয়ে ঢোকার খেসারত দিতে হচ্ছে তাকে। আর এ থেকে উত্তরণের জন্য বিদেশী প্রভু খোঁজা, প্রভু ধরা, এবং প্রভু ব্যবহার করাই আসন্ন ইউরোপ সফরের উদ্দেশ্য। গ্লাসগো সম্মেলনের সাইড লাইনে তিনি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সহ আরও কিছু নেতার সাক্ষাৎ চাইছেন।
