লন্ডনে কর্ণেল শহীদ খানের পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন, বাংলাদেশ দূতাবাসের বাধা
লন্ডন প্রতিনিধি
আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) শহীদ উদ্দিন খান যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তার ওই ডিগ্রী অর্জন ঠেকাতে বাংলাদেশ সরকার লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসকে ব্যবহার করেও ব্যর্থ হয়েছে শেখ হাসিনার সরকার।
জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারী ২০২২ তারিখে যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে “Military Intervention and Its Impacts on the Democratic Process of Bangladesh” এই topic এর উপর অত্যন্ত সফলতা ও মর্যাদার সাথে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেছেন ড. কর্ণেল শহীদ খান। তবে তার ওই ডিগ্রী অর্জনের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাড়িয়েছিল বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার।
অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বব্যাপী “Mother of Mafias” খেতাবে ভুষিত করে বিশ্বব্যাপি তা পরিচিত করার একমাত্র কপিরাইট বাহক ড. কর্ণেল শহীদ খান। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে কর্নেল শহীদ খানকে সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করে সরকারের পক্ষ থেকে লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসমিন ও মিনিস্টার কনসুলার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল লুৎফুল হাসানের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী পরিচয় দিয়ে ফেরদৌস খান ওরফে অক্টো খান নামে এক ব্যক্তি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Dr. Tamsin Bradley কে গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে ই-মেইল করেন। ড. কর্ণেল শহীদ খানকে পিএইচডি করার সুযোগ না দিতে সরকারের পক্ষ থেকে তিনি এই অনুরোধ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের অভিযোগ আমলে নেয়নি। রাষ্ট্রদূতের সব অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয় তার গবেষণার সুউচ্চ মান ও তার মেধায় অভিভূত হয় এবং তিনি অত্যন্ত মর্যাদা, যোগ্যতা ও সফলতার সাথে ডক্টরেটের ডিগ্রী লাভ করেন।
এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে ড. কর্ণেল শহীদ উদ্দিন খান বলেন, মাফিয়া চক্রের দল কখনও শিক্ষা ও জ্ঞান-প্রজ্ঞার মান বুঝবে না ও তার মূল্যায়নও করবেনা। British Legal Firm থেকে হাইকমিশনার মুনা তাসনীমকে Legal Notice প্রেরণ করা হয়েছিল, যার প্রথম জবাবে বাংলাদেশ সরকার থেকে উত্তর পাবার জন্য ড.কর্নেল শহীদ খানের সলিসিটর থেকে ১৫ দিনের সময় চান, যা তাকে দেয়া হয়। ১৫ দিন পরে সে তার জবাবে যা বলেছে তা অপ্রাসঙ্গিক। এখন, ড. কর্নেল শহীদ খানের প্রশ্ন হলো, যেখানে অক্টো খান তার ইমেইলে মুনা তাসনীম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল লুৎফুল হাসানের নাম উল্লেখ বা Refer করেছে, সেখানে মুনা তাসনীম Legal Notice এর জবাব দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে জবাব নেয়ার জন্য ১৫ দিনের সময় চেয়ে অনুরোধ কেন করলো?
British Legal Firm থেকে অক্টো খানকেও ২টি Legal Notices পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু সে কোনটারই জবাব দেয়নি, বরং সে তার যুক্তরাজ্যের ৪০ বছরের ঘর-সংসার ফেলে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে শেখ হাসিনার অফিসে জায়গা করে নিয়েছে।
