‘ফুটা কইরা দিমু’- কর্নেল ইমারত
কর্নেল ইমারত হোসেন। ৩৫ দীর্ঘ মেয়াদি কোর্স। ইনি ২০০৯ সাল থেকে আজ অবধি সেনাবাহিনীতে চাকরি করেননি। RAB, BGBতেই তার চাকরি। মানুষ হত্যা করে, অনিয়ম -দুর্নীতি করেই তিনি মেজর থেকে কর্নেল হয়েছেন। RAB-3তে চাকরি করার সময় আলোচিত বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমের গুমের অপারেশনের একটি গ্রুপের কমান্ডার ছিল সে। এছাড়া সে বহু বিএনপি নেতাকে গুম এবং পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দিয়েছে । তার নামে একটা শ্লোগান ছিলো….ফুটা কইরা দিমু, RAB-3-এ থাকাকালীন ইমারত এবং তার অধিনায়ক কর্নেল রফিক মিলে মতিঝিলের বিভিন্ন ক্লাব থেকে মাসোহারা নিতেন। শাপলা চত্ত্বরের অপারেশন এর সময় সে বহু মাদ্রাসা ছাত্রদেরকে মেরেছে বলে নিজ মুখে তার সহকর্মীদের নিকট উঁচু গলায় নিজেকে জাহির করেছে/ স্বীকার করেছে।
এছাড়া ২০১৪ সালে বিজিবির ডিজি মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদের নির্দেশে ইমারত জামাত বিএনপির উপর তান্ডব চালায়। চট্টগ্রামে বিজিবির অধিনায়ক থাকার সময় সে জামাত-শিবিরের অনেক নেতা কর্মীকে হত্যা করে। গাজীপুর বিজিবির অধিনায়ক থাকার সময় তিনি এবং তার আত্মীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ রাসেল মিলে বহু জমি এবং ফ্যাক্টরী দখল করে। তার এই কাজে সহায়তা করে তৎকালীন বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল সাফিন। এটা সবার জানা যে – জেনারেল সাফিনকে প্রতি রাতে মদ, মেয়ে সাপ্লাই দিতো এই ইমারত হোসেন।
বিজিবিতে থাকা অবস্থায় ইমরাত তার গৃহকর্মীর সাথে জবরদস্তি যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে ধরা পড়লেও তার কোন কিছু হয়নি! শুধু গৃহকর্মী নয় গাজীপুরে থাকা অবস্থায় বহু গার্মেন্টস কর্মীদের সাথেও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে এই কর্নেল। কর্নেল হতে যে নুন্যতম স্টাফ কলেজ সেটাও তার নেই!? শুধু আছে আওয়ামী ব্যানার…. সে আহসানুল্লাহ মাস্টারের জামাই এবং প্রতিমন্ত্রী জাহিদ রাসেলের বোনের জামাই!!!!! বর্তমানে সে কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার বিজিবিতে কর্মরত। যা এখন চোরাচালানকারীদের স্বর্গরাজ্য। সে ধান্ধায় আছে স্পেশাল নোটশীটের মাধ্যমে ব্রিগেডিয়ার হবার জন্য। অবশ্য সেটা সম্ভব হয়, কারন বর্তমান সেনাপ্রধান টাকার বিনিময়ে এ রকম ২-৫ জনকে প্রতিটি প্রমোশন বোর্ডে সুপারিশ করে থাকে। এমন কুখ্যাত অপরাধীদের জন্য আজ আমাদের প্রিয় সেনাবাহিনী তার দেশ সেবার মহান ব্রত থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে ।
