মেজর সাদেক প্রসঙ্গে কিছু তথ্য
মেজর সাদেকের গ্রেফতার প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের টীমের হাতে পৌঁছেছে। ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জিওসী মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলমের কল লিস্ট পর্যবেক্ষণ করলে সন্দেহের তীর তাঁর দিকেও আসে। উল্লেখ্য যে মেজর সাদেকের ইউনিট ৩৬ বেঙ্গল ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের একটি অংশ।
মেজর সাদেক গ্রেফতারের ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ ১৬ জুলাই ২০২৫ ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জিওসী সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে কল দিয়ে দীর্ঘ ৮২ মিনিট কথা বলেন। রাত ৯ টার দিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ১৬১ জিয়া কলোনি (জেসীওর কোয়ার্টার) থেকে একটি কল আসে যেখানে তিনি দীর্ঘ ৮৯ মিনিট কথা বলেন। উল্লেখ্য যে রাত ৮ টা ৪৫ এ এই জিওসী একটি নম্বরে কল করেন এবং ওই কলে থাকা অবস্থায় জেসীওর কোয়ার্টার থেকে কল আসে যেটা তিনি রিসিভ করে কথা বলেন, তাই ধারনা করা হচ্ছে উনি ওই সময় কনফারেন্স কলে ছিলেন।
১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের জিওসীর আগামী ১৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার কথা যেটা এখনও পরিবর্তিত হয় নি যেখানে তারই ডিভিশনের মেজর সাদেককে নিয়ে তদন্ত ও বিচারকাজ চলছে। জিওসীর দাবীমতে তাঁর বড় মেয়ের যুক্তরাষ্ট্রে পি এইচ ডি প্রোগ্রামে ভর্তির উদ্দেশ্যে তাকে সঙ্গ দেয়ার জন্য সপ্তাহ দুয়েকের জন্য যাচ্ছেন। এই মেজর সাদেকের বিচার কাজ পথভ্রষ্ট করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি অংশ প্রচণ্ড তৎপর। তারা জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য কয়েকটি ইস্যু একের পর এক দাড় করাচ্ছেন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে। রাজনৈতিক হানাহানি, প্রাক্তন সেনা প্রধানের হটাত মৃত্যু, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে বেফাঁস মন্তব্য ও অপ্রাসঙ্গিক কাজ করানো – এ সবই একই সূত্রে গাঁথা বলে প্রতীয়মান।
